বইয়ের শেষে শায়খ ইরসাদুল হক আসারী বই সম্পর্কে বলেন, ‘এ হচ্ছে সেসব মাসআলা যাতে মাওলানা লাখনভী, হানাফি মতের সঙ্গে বিরোধ করেছেন। এসব আলোচনা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে, সম্নানিত হানাফী আলেমদের উচিৎ তাকলীদ ও গোড়ামি ত্যাগ করে সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহকে নিজেদের মূল উৎস বানানো। তাহলে নিশ্চিত দেশ ও জাতি ফায়েদাহ লাভ করবে। কমে যাবে দূরত্ব। নিশ্চিন্তে থাকুন যে, এতে হানাফীয়াতে কোনো চোট ও আঘাত লাগবে না। আল্লমা লাখনভী এসব মাসআলায় হানাফীদের বিরোধিতা করা স্বত্তেও ‘তিনি হানাফী’। তাই অন্যান্য হানাফীও যদি একই ধরনের চিন্তাচেতনা ও পদ্ধতি গ্রহণ করেন, তবে তিনি হানাফী মাযহাবের বাইরে চলে যাবেন না’
উক্ত লেখাটি ই এই বইয়ের সবচেয়ে সেরা রিভিউ আমার মতে।
আল্লামা আব্দুল হাই লাখনাভী (رَحِمَهُ اللهُ) হানাফী মাযহাবের একজন বড় মাপের ইমাম। হানাফী মাযহাবের আলেম যাহিদ কাওসারী তাঁর বই অধ্যয়নের পরামর্শ দিতেন। শাইখ আব্দুল ফাত্তাহ আবূ গুদ্দাহ (رَحِمَهُ اللهُ) তাঁকে ইমাম বলতেন। মাওলানা আব্দুল মালেক তাঁকে হানাফী মাযহাবের হুফফায ও মুহাদ্দিসদের কাতারে রেখেছেন। এ মহান ইমাম ১২৬৪ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন।
এই মহান ব্যক্তি ছিলেন ইমাম আবূ হানীফাহ (رَحِمَهُ اللهُ) এর প্রকৃত অনুসারী। কারণ, ইমাম আবূ হানীফাহ (رَحِمَهُ اللهُ) এর প্রকৃত অনুসারী তারাই যারা তাঁর নীতি ধারণ করেন এবং ইমাম আবূ হানীফাহ (رَحِمَهُ اللهُ) কথামত তাঁর কোন মত দলীলের খেলাফ মনে হলে সেই মত প্রত্যাখ্যান করে দলীলের অনুসরণ করেন।
✪ বইটি কেন পড়া উচিৎঃ
বর্তমানে আমাদের সমাজে আহলেহাদীছ ও হানাফীদের যেসব ফিকহী মাস‘আলা নিয়ে বিরোধ রয়েছে তার প্রায় সবগুলোই এ বইয়ে স্থান পেয়েছে । বইয়ের আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, প্রত্যেকটা মাস‘আলায় চার মাযহাবের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। তাই পাঠক একটু নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে চিন্তা করলেই তার সামনে অনেক বিষয় পরিষ্কার হবে।
তাছাড়া মাযহাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যে, মাযহাব মানার হুকুম কী? মাযহাব কোন নীতিতে মানতে হবে? কোনো মাস‘আলায় নিজের মাযহাব ত্যাগ করলে সে কি পুরো মাযহাব থেকে বেরিয়ে যাবে ইত্যাদি। আর এসবগুলোই তিনি হানাফী আলিমদের মতামতের আলোকে উপস্থিত করেছেন।
আশা করি, সকলে সংকীর্ণমনা দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে এসে এ বইটি পড়বেন এবং উপকৃত হবেন।
Mahin Rahi –
বইয়ের শেষে শায়খ ইরসাদুল হক আসারী বই সম্পর্কে বলেন, ‘এ হচ্ছে সেসব মাসআলা যাতে মাওলানা লাখনভী, হানাফি মতের সঙ্গে বিরোধ করেছেন। এসব আলোচনা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে, সম্নানিত হানাফী আলেমদের উচিৎ তাকলীদ ও গোড়ামি ত্যাগ করে সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহকে নিজেদের মূল উৎস বানানো। তাহলে নিশ্চিত দেশ ও জাতি ফায়েদাহ লাভ করবে। কমে যাবে দূরত্ব। নিশ্চিন্তে থাকুন যে, এতে হানাফীয়াতে কোনো চোট ও আঘাত লাগবে না। আল্লমা লাখনভী এসব মাসআলায় হানাফীদের বিরোধিতা করা স্বত্তেও ‘তিনি হানাফী’। তাই অন্যান্য হানাফীও যদি একই ধরনের চিন্তাচেতনা ও পদ্ধতি গ্রহণ করেন, তবে তিনি হানাফী মাযহাবের বাইরে চলে যাবেন না’
উক্ত লেখাটি ই এই বইয়ের সবচেয়ে সেরা রিভিউ আমার মতে।
আল্লামা আব্দুল হাই লাখনাভী (رَحِمَهُ اللهُ) হানাফী মাযহাবের একজন বড় মাপের ইমাম। হানাফী মাযহাবের আলেম যাহিদ কাওসারী তাঁর বই অধ্যয়নের পরামর্শ দিতেন। শাইখ আব্দুল ফাত্তাহ আবূ গুদ্দাহ (رَحِمَهُ اللهُ) তাঁকে ইমাম বলতেন। মাওলানা আব্দুল মালেক তাঁকে হানাফী মাযহাবের হুফফায ও মুহাদ্দিসদের কাতারে রেখেছেন। এ মহান ইমাম ১২৬৪ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন।
এই মহান ব্যক্তি ছিলেন ইমাম আবূ হানীফাহ (رَحِمَهُ اللهُ) এর প্রকৃত অনুসারী। কারণ, ইমাম আবূ হানীফাহ (رَحِمَهُ اللهُ) এর প্রকৃত অনুসারী তারাই যারা তাঁর নীতি ধারণ করেন এবং ইমাম আবূ হানীফাহ (رَحِمَهُ اللهُ) কথামত তাঁর কোন মত দলীলের খেলাফ মনে হলে সেই মত প্রত্যাখ্যান করে দলীলের অনুসরণ করেন।
✪ বইটি কেন পড়া উচিৎঃ
বর্তমানে আমাদের সমাজে আহলেহাদীছ ও হানাফীদের যেসব ফিকহী মাস‘আলা নিয়ে বিরোধ রয়েছে তার প্রায় সবগুলোই এ বইয়ে স্থান পেয়েছে । বইয়ের আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, প্রত্যেকটা মাস‘আলায় চার মাযহাবের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। তাই পাঠক একটু নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে চিন্তা করলেই তার সামনে অনেক বিষয় পরিষ্কার হবে।
তাছাড়া মাযহাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যে, মাযহাব মানার হুকুম কী? মাযহাব কোন নীতিতে মানতে হবে? কোনো মাস‘আলায় নিজের মাযহাব ত্যাগ করলে সে কি পুরো মাযহাব থেকে বেরিয়ে যাবে ইত্যাদি। আর এসবগুলোই তিনি হানাফী আলিমদের মতামতের আলোকে উপস্থিত করেছেন।
আশা করি, সকলে সংকীর্ণমনা দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে এসে এ বইটি পড়বেন এবং উপকৃত হবেন।
Ikhlas Store –
মাশাআল্লাহ। আল্লাহ আপনাকে উওম পতিদান দিন।